নেত্রকোনায় বাউল সম্রাট রশিদ উদ্দিনের স্মৃতিবিজড়িত সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ - ইকরা প্রতিদিন নেত্রকোনায় বাউল সম্রাট রশিদ উদ্দিনের স্মৃতিবিজড়িত সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ

শিরোনাম

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds

নেত্রকোনায় বাউল সম্রাট রশিদ উদ্দিনের স্মৃতিবিজড়িত সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ

  

 

শাহজাদা আকন্দ প্রতিনিধি :নেত্রকোনায় জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত প্রখ্যাত বাউল সম্রাট রশিদ উদ্দিন ও তাঁর উত্তরাধিকারীদের দীর্ঘ ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভোগদখলীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা করছে একটি স্থানীয় কুচক্রী মহল। জেলা শহরের পৌর এলাকার বাহিড়চাপড়া গ্রামে অবস্থিত এই মূল্যবান সম্পত্তি নিয়ে বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরেজমিনে জানা গেছে, নেত্রকোনা-মোহনগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত ১ একর ৩৩ শতাংশ জমির মালিক বাউল সম্রাট রশিদ উদ্দিনের উত্তরসূরি এবং খরিদাসূত্রে অংশীদার রফিকুল ইসলাম ও সোহেল বাশার গং। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই জমি ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁদের দখলে রয়েছে।বাউল সম্রাট রশিদ উদ্দিনের ছেলে আল আমিন এবং নাতি সোহরাব, কায়েস ও খায়রুলসহ এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছরের মতো আগামী ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি বাউল উৎসবের প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু উৎসব পণ্ড করতে এবং বসতঘর ভেঙে জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বালুয়াখালী গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিন তালুকদারের ছেলে সজিব তালুকদার, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফেরদৌস কবীর রুমেল এবং তাঁর ভাই সরকারি কর্মকর্তা রাসেল তালুকদারসহ ১০-১২ জন পর্দার আড়ালে থেকে মাহমুদা আক্তার নামে এক নারীকে ইন্ধন দিচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, এরা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। অভিযুক্ত মাহমুদা আক্তার থানায় জিডি করলেও তাঁর দাবির কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন এমরান বাশার। তিনি বলেন, "৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমরা এখানে দখলে আছি। একটি ঘর বাউল সম্রাট রশিদ উদ্দিন একাডেমির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে তারা অনধিকার প্রবেশ করতে চাইছে।"ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, এই জমির স্বপক্ষে বৈধ দলিল (নং-৩২৮৩) থাকা সত্ত্বেও দখল চেষ্টার কারণে তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। নেত্রকোনা এডিএম কোর্ট ইতিমধ্যে উক্ত জমিতে ১৪৫ ধারা জারি করেছেন (মামলা নং- ৯০৫/২৫)। জমির অংশীদার শফিকুল ইসলাম জানান, "রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য সরকার আমার বাবা মৃত ওয়াহেদ আলীর কাছ থেকে এই জমির কিছু অংশ অধিগ্রহণও করেছে। এখন ফ্যাসিস্ট দোসররা সিন্ডিকেট করে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে। আমরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"

Post a Comment

0 Comments